করোনায় প্রথমবাংলাদেশীী মৃত ডাক্তার
স্মৃতি খুব কষ্টের, মঈন স্যারের ইন্টার্ন ছিলাম, ইন্টার্নশিপ শেষ হলে স্যার যে হাসপাতালে চেম্বার করতেন ঐ হাসপাতালে ডিউটি ডক্টর ছিলাম।একদিন রাত ২টায় এক রোগী ভর্তি হলো প্রচন্ড খিচুনি নিয়ে। রিসিভ করেই স্যারকে ফোন দিলাম, স্যার ফোন ধরেই বললেন" ফজলুর আমিতো প্রায় বাসায় চলে আসছি,ম্যানেজ করতে পারবা না? আমি আমতা আমতা করে বললাম, স্যার ডায়াজিপাম দিয়েছি,রোগীটা খারাপ এখনও খিচুনি হচ্ছে দেখে গেলে ভালো হত স্যার। স্যার ওভার ফোনে কি কি করতে হবে কিছুক্ষণ বললেন, তারপর হঠাৎ বলে বসলেন ঠিক আছে ফজলুর তুমি ফোন রাখ আমি আসছি। দশমিনিটের ভিতরে স্যার চলে আসলেন।এসেই বললেন যেহেতু ডায়াজিপাম দিয়ে ফেলেছো এখন আমাদের কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে নেক্সট স্টেপে যেতে হবে, স্যার ১৫ মিনিট রোগীর পাশে অপেক্ষা করলেন তারপর বললেন, এখন ফসফেন লোডিং শুরু করো।রোগিটা গরিব ছিল স্যার নিজে থেকে যাবতীয় পরীক্ষার ৫০% কমানোর জন্য স্লিপে সাইন করলেন।পরে যাওয়ার সময় আমাকে বললেন শোন," পার্টি গরীব, আমার ভিজিট তোলার দরকার নাই, ফ্রী করে দিও আর সকালে পেশেন্ট স্টেবল হলে ওসমানীতে রেফার্ড করে দিও, আজ আমার ইউনিটে ভর্তি আছে,এখানে এরা হসপিটালের বিল দিতে...




Comments
Post a Comment